ভাঙারি / পুরাতন মালামাল ব্যবসা চুক্তি
ভাঙারি / পুরাতন মালামাল ব্যবসা চুক্তি — বাংলাদেশে এই চুক্তি সাধারণত এই বিভাগের সাধারণ কাঠামো অনুসরণ করে। পণ্য-বাণিজ্য ও সরবরাহ চুক্তি — সাধারণ পণ্য ক্রয়-বিক্রয়, ইলেকট্রনিক্স ক্রয়, আসবাবপত্র ক্রয়, মোবাইল ফোন ক্রয়, সেকেন্ড-হ্যান্ড পণ্য বিক্রয়, বাল্ক / পাইকারি সরবরাহ, আমদানি / রপ্তানি, অনলাইন মার্কেটপ্লেস বিক্রয়, কনসাইনমেন্ট, প্রি-অর্ডার / অগ্রিম বুকিং — বাংলাদেশ জুড়ে ভৌত পণ্যের প্রতিদিনের কেনাবেচা কভার করে। যেখানে মূল্য কম এবং লেনদেন কাউন্টারে, একটি সরল মানি রিসিট সাধারণত যথেষ্ট। যেখানে মূল্য বেশি (বাল্ক সরবরাহ, আমদানি, সেকেন্ড-হ্যান্ড বাহন / সরঞ্জাম, ওয়ারেন্টিসহ ইলেকট্রনিক্স), লিখিত চুক্তির কাজ হলো স্পেসিফিকেশন, পরিমাণ, মূল্য, ডেলিভারি সূচি, মান-পরিদর্শন অধিকার, ওয়ারেন্টি এবং রিটার্ন / প্রত্যাখ্যান নিয়ম নির্ধারণ — এবং "এটা আমরা যা সম্মত হয়েছিলাম তা নয়" নিয়ে ক্লাসিক মধ্য-ডেলিভারি বিবাদ প্রতিরোধ।
এই চুক্তিতে সাধারণত যা যা তথ্য থাকে
- উভয় পক্ষের পূর্ণ পরিচয় — নাম, ঠিকানা, এনআইডি, ফোন
- ভাঙারি / পুরাতন মালামাল ব্যবসা চুক্তি-এর বিষয়বস্তুর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
- চুক্তির সময়কাল / কার্যকর তারিখ
- কোনো আর্থিক পরিমাণ (অংক ও কথায়) এবং পরিশোধের সূচি
- উভয় পক্ষের সুস্পষ্ট দায়িত্ব ও অঙ্গীকার
- চুক্তি লঙ্ঘন হলে প্রতিকার ও পরিণতি
- বিরোধ নিষ্পত্তির পথ (আলোচনা / মধ্যস্থতা / আদালত)
- উভয় পক্ষ ও প্রয়োজনে সাক্ষীদের স্বাক্ষর
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
- ChuktiQ-তে করা ডিজিটাল চুক্তি কি বাংলাদেশে আইনগতভাবে বৈধ?
- হ্যাঁ — আইসিটি আইন, ২০০৬-এর ধারা ৬ ও ৭ ইলেকট্রনিক রেকর্ড ও ওটিপি-সত্যায়িত ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরকে কাগজের চুক্তির সমান আইনগত স্বীকৃতি দেয়। দুটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম আছে: (ক) যেসব দলিল নির্দিষ্ট আইনে নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে সম্পাদন বা রেজিস্ট্রি করা বাধ্যতামূলক — যেমন রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীনে জমি ক্রয়/বিক্রয়-হস্তান্তর দলিল — সেগুলোর জন্য ডিজিটাল রেকর্ডের পাশাপাশি সেই স্ট্যাম্প / রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করতে হবে; এবং (খ) পারিবারিক আইনের দলিল (বিবাহ, তালাক, উইল) নিজ নিজ আইন অনুযায়ী চলে। আপনার নির্দিষ্ট চুক্তিতে যে-কোনো ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হলে ChuktiQ ওই পেজে স্পষ্ট নোটিশ দেখায়।
- এই ধরনের চুক্তিতে কী স্ট্যাম্প ডিউটি ও রেজিস্ট্রেশন প্রযোজ্য?
- তা নির্দিষ্ট দলিলের ধরন ও অনেক দলিলের ক্ষেত্রে জড়িত অংকের উপর নির্ভর করে — স্ট্যাম্প আইন, ১৮৯৯ ও রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এই নিয়ম সরবরাহ করে। বেশিরভাগ সাধারণ বেসরকারি চুক্তি (ঋণ নোট, সেবা চুক্তি, এমওইউ, এনডিএ, সাধারণ চুক্তি) ৩০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে চলে এবং রেজিস্ট্রেশন লাগে না। কিছু দলিল-ধরনের জন্য উচ্চতর প্রয়োজনীয়তা আছে — পার্টনারশিপ ডিড, স্থাবর সম্পত্তির ক্রয় বা বিক্রয়, এক বছরের বেশি মেয়াদের ইজারা, দানপত্র, সম্পত্তি হস্তান্তরে ব্যবহৃত মোক্তারনামা এবং আরও কিছু। এই নির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদনের আগে সঠিক স্ট্যাম্প অংক ও রেজিস্ট্রেশন আনুষ্ঠানিকতা আইনজীবীর সাথে যাচাই করে নিন — বিশেষত উল্লেখযোগ্য মূল্য বা দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি জড়িত থাকলে।