এনজিও / উন্নয়ন প্রকল্প চুক্তি
এনজিও / উন্নয়ন প্রকল্প চুক্তি — বাংলাদেশে এই চুক্তি সাধারণত এই বিভাগের সাধারণ কাঠামো অনুসরণ করে। সামাজিক ও কমিউনিটি চুক্তি — সমিতি (সঞ্চয় সমবায়), ক্লাব সংবিধান, ক্রীড়া দল চুক্তি, মসজিদ / মন্দির / চার্চ ব্যবস্থাপনা চুক্তি, কল্যাণ-সমিতি বিধান, সাংস্কৃতিক-সংস্থার চার্টার, প্রাক্তন-ছাত্র সমিতির চার্টার, টিউশন-কমিটির চুক্তি — বাংলাদেশের কমিউনিটি সংস্থাগুলোর সমৃদ্ধ ফ্যাব্রিকের প্রতিষ্ঠাতা দলিল। এদের সাধারণ উদ্দেশ্য হলো একে অপরকে বিশ্বাস করা মানুষের একটি অনানুষ্ঠানিক গোষ্ঠীকে এমন একটি সত্তায় পরিণত করা যা টাকা রাখতে পারে, চুক্তি সই করতে পারে, প্রিমাইস মালিক বা ভাড়া নিতে পারে এবং ব্যক্তিগত সদস্যরা আসা-যাওয়া করলেও চলতে থাকে। শুরুতেই প্রতিষ্ঠাতা দলিল ঠিক করা — স্পষ্ট সদস্যপদের নিয়ম, সংজ্ঞায়িত নেতৃত্ব কাঠামো, স্বচ্ছ আর্থিক নিয়ম, বিরোধ নিষ্পত্তি — ঠিক সেটাই সংস্থাকে পরে সুরক্ষিত করে যখন কেউ প্রশ্ন করে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
এই চুক্তিতে সাধারণত যা যা তথ্য থাকে
- উভয় পক্ষের পূর্ণ পরিচয় — নাম, ঠিকানা, এনআইডি, ফোন
- এনজিও / উন্নয়ন প্রকল্প চুক্তি-এর বিষয়বস্তুর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
- চুক্তির সময়কাল / কার্যকর তারিখ
- কোনো আর্থিক পরিমাণ (অংক ও কথায়) এবং পরিশোধের সূচি
- উভয় পক্ষের সুস্পষ্ট দায়িত্ব ও অঙ্গীকার
- চুক্তি লঙ্ঘন হলে প্রতিকার ও পরিণতি
- বিরোধ নিষ্পত্তির পথ (আলোচনা / মধ্যস্থতা / আদালত)
- উভয় পক্ষ ও প্রয়োজনে সাক্ষীদের স্বাক্ষর
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
- ChuktiQ-তে করা ডিজিটাল চুক্তি কি বাংলাদেশে আইনগতভাবে বৈধ?
- হ্যাঁ — আইসিটি আইন, ২০০৬-এর ধারা ৬ ও ৭ ইলেকট্রনিক রেকর্ড ও ওটিপি-সত্যায়িত ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরকে কাগজের চুক্তির সমান আইনগত স্বীকৃতি দেয়। দুটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম আছে: (ক) যেসব দলিল নির্দিষ্ট আইনে নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে সম্পাদন বা রেজিস্ট্রি করা বাধ্যতামূলক — যেমন রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীনে জমি ক্রয়/বিক্রয়-হস্তান্তর দলিল — সেগুলোর জন্য ডিজিটাল রেকর্ডের পাশাপাশি সেই স্ট্যাম্প / রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করতে হবে; এবং (খ) পারিবারিক আইনের দলিল (বিবাহ, তালাক, উইল) নিজ নিজ আইন অনুযায়ী চলে। আপনার নির্দিষ্ট চুক্তিতে যে-কোনো ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হলে ChuktiQ ওই পেজে স্পষ্ট নোটিশ দেখায়।
- এই ধরনের চুক্তিতে কী স্ট্যাম্প ডিউটি ও রেজিস্ট্রেশন প্রযোজ্য?
- তা নির্দিষ্ট দলিলের ধরন ও অনেক দলিলের ক্ষেত্রে জড়িত অংকের উপর নির্ভর করে — স্ট্যাম্প আইন, ১৮৯৯ ও রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এই নিয়ম সরবরাহ করে। বেশিরভাগ সাধারণ বেসরকারি চুক্তি (ঋণ নোট, সেবা চুক্তি, এমওইউ, এনডিএ, সাধারণ চুক্তি) ৩০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে চলে এবং রেজিস্ট্রেশন লাগে না। কিছু দলিল-ধরনের জন্য উচ্চতর প্রয়োজনীয়তা আছে — পার্টনারশিপ ডিড, স্থাবর সম্পত্তির ক্রয় বা বিক্রয়, এক বছরের বেশি মেয়াদের ইজারা, দানপত্র, সম্পত্তি হস্তান্তরে ব্যবহৃত মোক্তারনামা এবং আরও কিছু। এই নির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদনের আগে সঠিক স্ট্যাম্প অংক ও রেজিস্ট্রেশন আনুষ্ঠানিকতা আইনজীবীর সাথে যাচাই করে নিন — বিশেষত উল্লেখযোগ্য মূল্য বা দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি জড়িত থাকলে।