ডোমেইন / হোস্টিং হস্তান্তর চুক্তি
ডোমেইন / হোস্টিং হস্তান্তর চুক্তি — বাংলাদেশে এই চুক্তি সাধারণত এই বিভাগের সাধারণ কাঠামো অনুসরণ করে। ডিজিটাল ও টেক-সেবা চুক্তি — ওয়েবসাইট / অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট চুক্তি, ই-কমার্স / এফ-কমার্স ভেন্ডর চুক্তি, ডিজিটাল মার্কেটিং, ডোমেইন / হোস্টিং হস্তান্তর, সফটওয়্যার লাইসেন্স, আইটি সেবা চুক্তি, ইন্টারনেট / আইএসপি সেবা চুক্তি, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট, গ্রাফিক ডিজাইন, কন্টেন্ট রাইটিং, সাইবার নিরাপত্তা, ডেটা এন্ট্রি / বিপিও — বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল অর্থনীতির কাগজপত্র। এই ক্ষেত্রে মূল খসড়া সমস্যা হলো ডেলিভারেবল অস্পষ্ট: "একটি ওয়েবসাইট", "একটি ডিজাইন", "একটি ক্যাম্পেইন", "নিরাপত্তা" — এই বিবরণগুলো ব্যাখ্যার জন্য উন্মুক্ত, এবং বিবাদ সাধারণত কেউ চুক্তি ভঙ্গ করেছে বলে নয়, বরং কী তৈরি হচ্ছিল সে সম্পর্কে দুই পক্ষের কখনো একই ছবি ছিল না। তাই একটি ভালো টেক চুক্তি ফি ও সময়সীমার চেয়ে পরিসর, গ্রহণযোগ্যতা মানদণ্ড ও পরিবর্তন-ব্যবস্থাপনায় ভারী বিনিয়োগ করে।
এই চুক্তিতে সাধারণত যা যা তথ্য থাকে
- উভয় পক্ষের পূর্ণ পরিচয় — নাম, ঠিকানা, এনআইডি, ফোন
- ডোমেইন / হোস্টিং হস্তান্তর চুক্তি-এর বিষয়বস্তুর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
- চুক্তির সময়কাল / কার্যকর তারিখ
- কোনো আর্থিক পরিমাণ (অংক ও কথায়) এবং পরিশোধের সূচি
- উভয় পক্ষের সুস্পষ্ট দায়িত্ব ও অঙ্গীকার
- চুক্তি লঙ্ঘন হলে প্রতিকার ও পরিণতি
- বিরোধ নিষ্পত্তির পথ (আলোচনা / মধ্যস্থতা / আদালত)
- উভয় পক্ষ ও প্রয়োজনে সাক্ষীদের স্বাক্ষর
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
- ChuktiQ-তে করা ডিজিটাল চুক্তি কি বাংলাদেশে আইনগতভাবে বৈধ?
- হ্যাঁ — আইসিটি আইন, ২০০৬-এর ধারা ৬ ও ৭ ইলেকট্রনিক রেকর্ড ও ওটিপি-সত্যায়িত ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরকে কাগজের চুক্তির সমান আইনগত স্বীকৃতি দেয়। দুটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম আছে: (ক) যেসব দলিল নির্দিষ্ট আইনে নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে সম্পাদন বা রেজিস্ট্রি করা বাধ্যতামূলক — যেমন রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীনে জমি ক্রয়/বিক্রয়-হস্তান্তর দলিল — সেগুলোর জন্য ডিজিটাল রেকর্ডের পাশাপাশি সেই স্ট্যাম্প / রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করতে হবে; এবং (খ) পারিবারিক আইনের দলিল (বিবাহ, তালাক, উইল) নিজ নিজ আইন অনুযায়ী চলে। আপনার নির্দিষ্ট চুক্তিতে যে-কোনো ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হলে ChuktiQ ওই পেজে স্পষ্ট নোটিশ দেখায়।
- এই ধরনের চুক্তিতে কী স্ট্যাম্প ডিউটি ও রেজিস্ট্রেশন প্রযোজ্য?
- তা নির্দিষ্ট দলিলের ধরন ও অনেক দলিলের ক্ষেত্রে জড়িত অংকের উপর নির্ভর করে — স্ট্যাম্প আইন, ১৮৯৯ ও রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এই নিয়ম সরবরাহ করে। বেশিরভাগ সাধারণ বেসরকারি চুক্তি (ঋণ নোট, সেবা চুক্তি, এমওইউ, এনডিএ, সাধারণ চুক্তি) ৩০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে চলে এবং রেজিস্ট্রেশন লাগে না। কিছু দলিল-ধরনের জন্য উচ্চতর প্রয়োজনীয়তা আছে — পার্টনারশিপ ডিড, স্থাবর সম্পত্তির ক্রয় বা বিক্রয়, এক বছরের বেশি মেয়াদের ইজারা, দানপত্র, সম্পত্তি হস্তান্তরে ব্যবহৃত মোক্তারনামা এবং আরও কিছু। এই নির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদনের আগে সঠিক স্ট্যাম্প অংক ও রেজিস্ট্রেশন আনুষ্ঠানিকতা আইনজীবীর সাথে যাচাই করে নিন — বিশেষত উল্লেখযোগ্য মূল্য বা দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি জড়িত থাকলে।